আনন্দের জন্য খেলুন, আসক্তির জন্য নয়। kirik kriya বিশ্বাস করে প্রতিটি খেলোয়াড়ের সুরক্ষা ও সুস্থতা সবার আগে।
আপনার সুরক্ষাই আমাদের অগ্রাধিকারদায়িত্বশীল খেলা মানে হলো নিজের সময়, অর্থ ও আবেগের উপর সচেতন নিয়ন্ত্রণ রেখে গেমিং উপভোগ করা। kirik kriya-তে আমরা চাই আমাদের প্রতিটি খেলোয়াড় আনন্দের সাথে, নিরাপদে এবং সুস্থ মানসিকতায় খেলুক।
গেমিং যখন বিনোদনের সীমা ছাড়িয়ে আসক্তিতে পরিণত হয়, তখন পরিবার, আর্থিক অবস্থা ও মানসিক স্বাস্থ্যে গুরুতর প্রভাব পড়তে পারে। তাই আমরা শুরু থেকেই আপনাকে সচেতন রাখতে চাই।
দায়িত্বশীল খেলার মূল বিষয়গুলো হলো:
গেমিং আসক্তি হঠাৎ করে আসে না — এটি ধীরে ধীরে তৈরি হয়। অনেক সময় মানুষ বুঝতেও পারেন না কখন বিনোদন থেকে আসক্তিতে পরিণত হয়েছে। kirik kriya-তে দায়িত্বশীল খেলার অংশ হিসেবে আমরা এই লক্ষণগুলো সম্পর্কে আপনাকে সচেতন করতে চাই।
স্ট্রেস, একাকীত্ব বা আর্থিক চাপের সময় মানুষ প্রায়ই গেমিংকে সমাধান হিসেবে দেখতে শুরু করে — এটাই সবচেয়ে বড় বিপদ। গেমিং সমস্যার সমাধান করে না, বরং সমস্যা বাড়াতে পারে।
প্রতি সেশনে কতটুকু ব্যয় করবেন তা খেলার আগেই নির্ধারণ করুন এবং সেই সীমা অতিক্রম করবেন না।
প্রতিদিন বা প্রতি সপ্তাহে সর্বোচ্চ কতক্ষণ খেলবেন তা ঠিক করুন। টাইমার ব্যবহার করতে পারেন।
দীর্ঘ সেশনের মাঝে নিয়মিত বিরতি নিন। উঠুন, হাঁটুন, পানি খান — মাথা ঠান্ডা রাখুন।
হেরে গেলে সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আরও বেশি খেলা সবচেয়ে বিপজ্জনক অভ্যাস।
পরিবার, বন্ধু, শখ ও শারীরিক কার্যক্রমে সময় দিন। গেমিং যেন জীবনের একমাত্র বিনোদন না হয়।
মানসিক চাপ, রাগ বা হতাশার মুহূর্তে গেম খেলা বিপজ্জনক। সেই সময়টা অন্যভাবে কাটান।
এই লক্ষণগুলো দেখা দিলে দায়িত্বশীল খেলার টুলস ব্যবহার করুন বা সাহায্য নিন
নির্ধারিত বাজেটের বেশি বারবার ব্যয় করছেন এবং নিজেই থামাতে পারছেন না।
ঘণ্টার পর ঘণ্টা খেলছেন কিন্তু বুঝতেই পারছেন না সময় কোথায় গেল।
পরিবার বা বন্ধুরা গেমিং নিয়ে অভিযোগ করছেন অথবা আপনি তাদের থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন।
গেম না খেলতে পারলে মেজাজ খারাপ থাকে, অস্থির লাগে বা উদ্বেগ হয়।
পরিবার বা কাছের মানুষদের কাছ থেকে গেমিংয়ের পরিমাণ বা ক্ষতি লুকাচ্ছেন।
হেরে যাওয়ার পর জিতে নেওয়ার চেষ্টায় বারবার ফিরে আসছেন এবং আরও হারছেন।
গেমিংয়ের কারণে কাজে মনোযোগ দিতে পারছেন না বা পড়াশোনায় ফলাফল খারাপ হচ্ছে।
রাত জেগে গেম খেলছেন এবং ঘুম কমে যাওয়ার ফলে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
গেমিংয়ের জন্য সঞ্চয় ভাঙছেন বা ঋণ নিচ্ছেন — এটি গুরুতর বিপদের সংকেত।
আমরা আপনাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করার জন্য বেশ কিছু শক্তিশালী টুল প্রদান করি
দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক ডিপোজিটের সীমা নির্ধারণ করুন। একবার সীমা ঠিক করলে তা সাথে সাথে কার্যকর হয় এবং বাড়াতে গেলে ২৪ ঘণ্টার অপেক্ষা প্রয়োজন।
তাৎক্ষণিক কার্যকরএক সেশনে সর্বোচ্চ কতক্ষণ খেলবেন তা নির্ধারণ করুন। সময় শেষ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সতর্কতা আসবে এবং সেশন বন্ধ হবে।
নমনীয় সময় নিয়ন্ত্রণএকটি নির্দিষ্ট সময়ে সর্বোচ্চ কতটুকু ক্ষতি হলে আর খেলতে পারবেন না তা আগেই ঠিক করুন। এই টুলটি আর্থিক সুরক্ষায় সবচেয়ে কার্যকর।
আর্থিক সুরক্ষা২৪ ঘণ্টা থেকে ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত যেকোনো সময়ের জন্য অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে স্থগিত করুন। এই সময়ে লগইন বা ডিপোজিট সম্ভব হবে না।
সাময়িক বিরতি৬ মাস থেকে ৫ বছর বা স্থায়ীভাবে নিজেকে kirik kriya থেকে বিরত রাখুন। এই পদক্ষেপ নিলে বর্জন মেয়াদ শেষের আগে অ্যাকাউন্ট পুনরায় সক্রিয় করা যাবে না।
দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষানির্দিষ্ট সময় পরপর পপ-আপ বিজ্ঞপ্তি পাবেন যা আপনাকে মনে করিয়ে দেবে আপনি কতক্ষণ ধরে খেলছেন এবং কতটুকু জিতেছেন বা হারিয়েছেন।
সচেতনতা বৃদ্ধিএই টুলগুলো ব্যবহার করতে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন অথবা support@kirikkriya.net-এ যোগাযোগ করুন।
নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর সৎভাবে দিন। যদি দুটো বা তার বেশি প্রশ্নের উত্তর "হ্যাঁ" হয়, তাহলে সাহায্য নেওয়ার কথা ভাবুন।
আপনি কি কখনো নির্ধারিত বাজেটের বেশি গেমিংয়ে খরচ করেছেন?
হারানো টাকা ফেরত পেতে আপনি কি আবার খেলার চেষ্টা করেন?
গেমিং নিয়ে কি পরিবার বা বন্ধুদের সাথে কখনো মিথ্যা বলেছেন?
গেম না খেলতে পারলে কি অস্থির বা বিরক্ত লাগে?
গেমিংয়ের কারণে কি কাজ, পড়াশোনা বা পারিবারিক দায়িত্ব পালন ব্যাহত হয়েছে?
বিল বা খাওয়ার টাকা থেকে কি কখনো গেমিংয়ে খরচ করেছেন?
গেমিং কমাতে চেষ্টা করেছেন কিন্তু পারেননি?
মানসিক চাপ বা কষ্টের সময় কি গেমিংয়ে পালিয়ে যান?
যদি মনে করেন গেমিং আপনার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে, তাহলে নিচের পদক্ষেপগুলো নিন:
সরাসরি আমাদের দায়িত্বশীল গেমিং টিমের সাথে যোগাযোগ করুন। তারা বিনা বিচারে আপনাকে সাহায্য করবে। স্ব-বর্জন বা অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার অনুরোধ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কার্যকর করা হয়।
গেমিং আসক্তি একটি মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা। এর জন্য পেশাদার সাহায্য নেওয়া সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্য সেবার জন্য আপনার নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালের মনোরোগ বিভাগে যোগাযোগ করুন।
প্রিয়জনের সাথে খোলামেলা কথা বলুন। তারা আপনার পাশে থাকবে। একা সব বহন না করে সাহায্য চাওয়া সাহসিকতার প্রমাণ।
দায়িত্বশীল গেমিং নিয়ে সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞেস করা প্রশ্নগুলোর উত্তর